ক্রিকেট
Most ODI Wickets Active Players: সক্রিয় সেরা ১০ উইকেট শিকারি

সর্বশেষ যাচাই: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ · লেখক: 9wickets Team
Most ODI wickets active players তালিকার শীর্ষে এখন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক। ১৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত তাঁর উইকেট ১৩২ ম্যাচে ২৪৭টি। মাত্র চার উইকেট পেছনে ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ। তৃতীয় ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা। বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান আছেন অষ্টম স্থানে। সব সংখ্যা ESPNcricinfo-র পরিসংখ্যান থেকে নেওয়া।
সংক্ষিপ্ত উত্তর: সক্রিয়দের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট কার
মিচেল স্টার্কের। তাঁর ২৪৭ উইকেট সক্রিয় সব বোলারের মধ্যে সর্বোচ্চ। সর্বকালের তালিকায় অবশ্য তিনি অনেক নিচে। সেখানে শীর্ষে মুত্তিয়া মুরালিধরন, ৫৩৪ উইকেট নিয়ে।
স্টার্ক আর আদিল রশিদের ব্যবধান মাত্র চার উইকেট। তাই এক সিরিজেই শীর্ষস্থান বদলে যেতে পারে। এ কারণেই তালিকাটি আমরা মাসে একবার হালনাগাদ করি।
সক্রিয় খেলোয়াড় বলতে আমরা কাকে ধরেছি
সক্রিয় শব্দটির কোনো সরকারি সংজ্ঞা নেই। তাই আমরা তিনটি সহজ নিয়ম মেনেছি:
- খেলোয়াড় ২০২৫ বা ২০২৬ সালে অন্তত একটি ওয়ানডে খেলেছেন।
- তিনি ওয়ানডে থেকে অবসরের ঘোষণা দেননি।
- শুধু টি-টোয়েন্টি বা টেস্ট ছাড়লে তিনি তালিকায় থাকেন।
যেমন, স্টার্ক ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ছেড়েছেন। কিন্তু ওয়ানডেতে তিনি এখনো খেলছেন। তাই তিনি তালিকায় আছেন।
সক্রিয় সেরা ১০: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত তালিকা
নিচের সব সংখ্যা ESPNcricinfo Statsguru-র ওয়ানডে বোলিং তালিকা থেকে নেওয়া, ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এ দেখা।
| ক্রম | খেলোয়াড় | দল | ম্যাচ | উইকেট | গড় | সেরা বোলিং |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | মিচেল স্টার্ক | অস্ট্রেলিয়া | ১৩২ | ২৪৭ | ২৩.৯৬ | ৬/২৮ |
| ২ | আদিল রশিদ | ইংল্যান্ড | ১৬৪ | ২৪৩ | ৩১.৬৯ | ৫/২৭ |
| ৩ | রবীন্দ্র জাদেজা | ভারত | ২১২ | ২৩৪ | ৩৬.৭৮ | ৫/৩৩ |
| ৪ | রশিদ খান | আফগানিস্তান | ১২৩ | ২২৬ | ১৯.৪৩ | ৭/১৮ |
| ৫ | অ্যাডাম জাম্পা | অস্ট্রেলিয়া | ১২৭ | ২০৭ | ২৯.৬৬ | ৫/৩৫ |
| ৬ | মোহাম্মদ শামি | ভারত | ১০৮ | ২০৬ | ২৪.০৫ | ৭/৫৭ |
| ৭ | কুলদীপ যাদব | ভারত | ১২৪ | ২০১ | ২৬.৯৩ | ৬/২৫ |
| ৮ | মুস্তাফিজুর রহমান | বাংলাদেশ | ১২৪ | ১৯৩ | ২৬.৩০ | ৬/৪৩ |
| ৯ | মোহাম্মদ নবী | আফগানিস্তান | ১৭৮ | ১৭৭ | ৩২.৮০ | ৫/১৭ |
| ১০ | ম্যাট হেনরি | নিউজিল্যান্ড | ৯৫ | ১৭২ | ২৪.৯৮ | ৫/৩০ |
এরপর আছেন কাগিসো রাবাদা (১৬৮), সন্দীপ লামিছানে (১৬৩), জসপ্রীত বুমরাহ (১৫১) আর জশ হ্যাজলউড (১৪৮)।
সংখ্যার ভেতরের গল্প
রশিদ খানের গড় সবার সেরা
শীর্ষ দশে রশিদ খানের বোলিং গড় সবচেয়ে কম, ১৯.৪৩। মানে প্রতি উইকেটে তিনি গড়ে ২০ রানও দেন না। তাঁর ৭/১৮ এই তালিকার সেরা ইনিংস বোলিং।
শামি আর হেনরি কম ম্যাচে বেশি উইকেট
মোহাম্মদ শামি মাত্র ১০৮ ম্যাচে ২০৬ উইকেট পেয়েছেন। ম্যাট হেনরি ৯৫ ম্যাচে পেয়েছেন ১৭২টি। দুজনের শেষ ওয়ানডে ২০২৫ সালে। তবু কেউ ওয়ানডে অবসর ঘোষণা করেননি।
জাদেজা বেশি ম্যাচ খেলে এগিয়েছেন
জাদেজা খেলেছেন ২১২ ম্যাচ, এই তালিকায় সর্বোচ্চ। তাঁর গড় ৩৬.৭৮, শীর্ষ দশে সবচেয়ে বেশি। তিনি অলরাউন্ডার, তাই প্রতি ম্যাচে পুরো দশ ওভার সবসময় পান না।
পেস বনাম স্পিন: ছয়জন স্পিনার, চারজন পেসার
শীর্ষ দশের ছয়জনই স্পিনার: আদিল রশিদ, জাদেজা, রশিদ খান, জাম্পা, কুলদীপ আর অফস্পিনার মোহাম্মদ নবী। পেসার চারজন: স্টার্ক, শামি, মুস্তাফিজ আর হেনরি। মাঝের ওভারে উইকেট তোলাই এখন ওয়ানডের বড় অস্ত্র।
তবে ধরন আলাদা। স্পিনাররা রান আটকান বেশি। নবী আর রশিদ খানের ইকোনমি ওভারপ্রতি সাড়ে চারের নিচে। পেসাররা উইকেট তোলেন দ্রুত। শামি গড়ে প্রতি ২৫.৮ বলে একটি উইকেট পান, স্টার্ক ২৭.২ বলে।
স্ট্রাইক রেট, ইকোনমি আর পাঁচ উইকেট
মোট উইকেট পুরো গল্প বলে না। নিচের ছকে একই দশজনের আরও তিনটি মাপ দেওয়া হলো। স্ট্রাইক রেট মানে প্রতি উইকেটে গড়ে কত বল। ইকোনমি মানে ওভারপ্রতি গড়ে কত রান।
| খেলোয়াড় | স্ট্রাইক রেট | ইকোনমি | ইনিংসে ৫+ উইকেট |
|---|---|---|---|
| মিচেল স্টার্ক | ২৭.২ | ৫.২৭ | ৯ |
| আদিল রশিদ | ৩৩.৬ | ৫.৬৪ | ২ |
| রবীন্দ্র জাদেজা | ৪৪.৯ | ৪.৯০ | ২ |
| রশিদ খান | ২৭.৩ | ৪.২৬ | ৭ |
| অ্যাডাম জাম্পা | ৩১.৯ | ৫.৫৬ | ১ |
| মোহাম্মদ শামি | ২৫.৮ | ৫.৫৮ | ৬ |
| কুলদীপ যাদব | ৩১.৭ | ৫.০৮ | ২ |
| মুস্তাফিজুর রহমান | ৩০.৬ | ৫.১৫ | ৬ |
| মোহাম্মদ নবী | ৪৫.৫ | ৪.৩২ | ১ |
| ম্যাট হেনরি | ২৮.৭ | ৫.২১ | ৩ |
পাঁচ উইকেটের হিসাবে স্টার্ক সবার ওপরে, ৯ বার। রশিদ খান ৭ বার। মুস্তাফিজ আর শামি ৬ বার করে। মানে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার বড় ইনিংস বোলিংয়ে শীর্ষ দশের সেরাদের কাতারে।
দল ধরে হিসাব: কোন দেশের হাতে কত সক্রিয় উইকেট শিকারি
শীর্ষ দশে ভারতের তিনজন, অস্ট্রেলিয়া আর আফগানিস্তানের দুজন করে। ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ আর নিউজিল্যান্ডের একজন করে। শীর্ষ দশের বাইরে তাকালে ছবিটা আরও পরিষ্কার হয়:
- অস্ট্রেলিয়া: স্টার্ক (২৪৭), জাম্পা (২০৭), হ্যাজলউড (১৪৮), প্যাট কামিন্স (১৪৩)।
- ভারত: জাদেজা (২৩৪), শামি (২০৬), কুলদীপ (২০১), বুমরাহ (১৫১)।
- আফগানিস্তান: রশিদ খান (২২৬), নবী (১৭৭)।
- পাকিস্তান: শাহিন শাহ আফ্রিদি (১৪৬), হারিস রউফ (১০৭)।
- বাংলাদেশ: মুস্তাফিজ (১৯৩), তাসকিন (১৩৭), মিরাজ (১৩২)।
সহযোগী দেশগুলোর নামও চোখে পড়ে। নেপালের সন্দীপ লামিছানে মাত্র ৮১ ম্যাচে ১৬৩ উইকেট নিয়েছেন। তাঁর গড় ১৯.৫৮, রশিদ খানের কাছাকাছি। যুক্তরাষ্ট্রের সৌরভ নেত্রাভালকারের উইকেট ১২১টি।
দ্রুততম মাইলফলক: সক্রিয়দের রেকর্ড
উইকিপিডিয়ার ওয়ানডে রেকর্ডের তালিকা (১৮ মে ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ) অনুযায়ী দুটি দ্রুততম রেকর্ড এখন সক্রিয় বোলারদের হাতে:
- দ্রুততম ২০০ উইকেট: মিচেল স্টার্ক, মাত্র ১০২ ম্যাচে (৩ সেপ্টেম্বর ২০২২)।
- দ্রুততম ১০০ আর ১৫০ উইকেট: সন্দীপ লামিছানে, ৪২ আর ৭৩ ম্যাচে।
দ্রুততম ২৫০ উইকেটের রেকর্ড পাকিস্তানের সাকলাইন মুশতাকের, ১৩৮ ম্যাচে। রশিদ খান খেলেছেন ১২৩ ম্যাচ। পরের ১৫ ম্যাচে ২৪ উইকেট পেলে তিনি অন্তত রেকর্ডটি ছোঁবেন। স্টার্ক ২৫০ থেকে মাত্র তিন উইকেট দূরে, তবে তিনি ইতিমধ্যে ১৩২ ম্যাচ খেলেছেন।
বাংলাদেশের সক্রিয় বোলাররা কোথায়
বাংলাদেশের সক্রিয় বোলারদের মধ্যে মুস্তাফিজুর রহমান সবার আগে। ১২৪ ম্যাচে তাঁর উইকেট ১৯৩টি। ২০০ উইকেটের মাইলফলক থেকে তিনি সাত উইকেট দূরে।
| খেলোয়াড় | ম্যাচ | উইকেট | গড় |
|---|---|---|---|
| মুস্তাফিজুর রহমান | ১২৪ | ১৯৩ | ২৬.৩০ |
| তাসকিন আহমেদ | ৯৪ | ১৩৭ | ২৮.৯৬ |
| মেহেদী হাসান মিরাজ | ১২৫ | ১৩২ | ৩৬.৩৬ |
তিনজনের ধরন তিন রকম। মুস্তাফিজ প্রতি ৩০.৬ বলে একটি উইকেট পান, আর ৬ বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। তাসকিনের গড় ২৮.৯৬, ইকোনমি ৫.৩৪, পাঁচ উইকেট ২ বার। মিরাজ অফস্পিনার। তাঁর গড় বেশি, ৩৬.৩৬, তবে ইকোনমি মাত্র ৪.৭০। তিনি মূলত রান আটকানোর কাজ করেন, ইনিংসে পাঁচ উইকেট এখনো পাননি।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচের খবর পাবেন বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে ১৭ অক্টোবরের ওয়ানডে নিয়ে আমাদের লেখায়। মুস্তাফিজ ২০০ ছুঁলেন কি না, নভেম্বরের হালনাগাদে জানাব। তার পরের ম্যাচের সময়সূচি আছে আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ ২১ অক্টোবরের ওয়ানডে লেখায়।
সাকিব আল হাসান কেন তালিকায় নেই
সাকিবের ওয়ানডে উইকেট ৩১৭টি, যেকোনো বাংলাদেশির চেয়ে বেশি। কিন্তু ESPNcricinfo অনুযায়ী তাঁর শেষ ওয়ানডে ২০২৩ সালে। আমাদের নিয়মে তাই তিনি সক্রিয় তালিকায় পড়েন না। ওয়ানডে থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক অবসরের খবর অবশ্য আমরা পাইনি।
অনেক উইকেট নিয়েও যাঁরা তালিকার বাইরে
কিছু বড় নাম অনেক উইকেট নিয়েও এখন তালিকায় নেই:
| খেলোয়াড় | উইকেট | শেষ ওয়ানডের বছর |
|---|---|---|
| সাকিব আল হাসান | ৩১৭ | ২০২৩ |
| টিম সাউদি | ২২১ | ২০২৩ |
| ট্রেন্ট বোল্ট | ২১১ | ২০২৩ |
| ক্রিস ওকস | ১৭৩ | ২০২৩ |
এঁদের কেউ ওয়ানডেতে ফিরলে আমরা তাঁকে আবার যোগ করব। সর্বকালের পুরো তালিকা দেখতে পারেন উইকিপিডিয়ার ওয়ানডে রেকর্ডের পাতায়।
শীর্ষস্থানের লড়াই: পরের কয়েক মাসে কী দেখবেন
তিনটি লড়াই চোখে রাখার মতো:
- স্টার্ক বনাম আদিল রশিদ: ব্যবধান চার উইকেট। এক ম্যাচেই রশিদ সামনে চলে আসতে পারেন।
- রশিদ খানের ২৫০: তিনি ২৪ উইকেট দূরে, ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ১২৩টি।
- মুস্তাফিজের ২০০: সাত উইকেট পেলেই তিনি আব্দুর রাজ্জাক, সাকিব আর মাশরাফির পর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে ২০০ ছোঁবেন।
বর্তমান ফর্ম বুঝতে আইসিসির ওয়ানডে বোলার র্যাঙ্কিং দেখুন। র্যাঙ্কিং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স মাপে, মোট উইকেট নয়।
সংখ্যা কীভাবে মিলিয়েছি
১৬ অক্টোবর ২০২৬-এ আমরা ESPNcricinfo-র ওয়ানডে বোলিং তালিকার শীর্ষ ২০০ জন দেখেছি। সেখান থেকে যাঁদের ক্যারিয়ার ২০২৫ বা ২০২৬ পর্যন্ত গড়িয়েছে, তাঁদের আলাদা করেছি। এরপর বড় নামগুলোর ওয়ানডে অবসরের খবর খুঁজেছি।
উৎসভেদে দশমিকের ঘরে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে। প্রতিটি ওয়ানডের পর সংখ্যা বদলায়, তাই দরকার হলে নিজে মিলিয়ে নিন।
আরও পড়ুন
ব্যাটিংয়ের দিকটা জানতে পড়ুন সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রানের তালিকা। এশিয়ার বড় আসরের খবর আছে এশিয়ান গেমস ২০২৬ ক্রিকেটের সময়সূচিতে।
টেস্ট ক্রিকেটের লেখা
টেস্টের খবর চাইলে দেখুন আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ টেস্টের সময়সূচি। তরুণ ব্যাটারের গল্প পাবেন দেবদত্ত পাড়িক্কালের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি নিয়ে লেখায়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট কার?
১৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের, ১৩২ ম্যাচে ২৪৭ উইকেট। দ্বিতীয় আদিল রশিদ, ২৪৩ উইকেট।
ওয়ানডেতে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উইকেট কার?
শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরনের, ৩৫০ ম্যাচে ৫৩৪ উইকেট। দ্বিতীয় পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম, ৫০২ উইকেট।
বাংলাদেশের সক্রিয় বোলারদের মধ্যে ওয়ানডেতে কার উইকেট সবচেয়ে বেশি?
মুস্তাফিজুর রহমানের, ১২৪ ম্যাচে ১৯৩ উইকেট। এরপর তাসকিন আহমেদ (১৩৭) আর মেহেদী হাসান মিরাজ (১৩২)।
সাকিব আল হাসানকে কেন সক্রিয় তালিকায় রাখা হয়নি?
ESPNcricinfo অনুযায়ী তাঁর শেষ ওয়ানডে ২০২৩ সালে। আমাদের নিয়মে ২০২৫ বা ২০২৬ সালে ওয়ানডে না খেললে খেলোয়াড় সক্রিয় তালিকায় থাকেন না।
এই তালিকা কত দিন পরপর হালনাগাদ হয়?
মাসে একবার। পরের হালনাগাদ নভেম্বর ২০২৬-এ, বাংলাদেশের অক্টোবরের ওয়ানডেগুলোর পর।
শেষ কথা
স্টার্ক এখন শীর্ষে, কিন্তু আদিল রশিদ ঠিক পেছনে। রশিদ খানের গড় আর মুস্তাফিজের ২০০ উইকেটের দৌড়ও দেখার মতো। পরের মাসে নতুন সংখ্যা নিয়ে ফিরব। ক্রিকেটের আরও পরিসংখ্যান আর ম্যাচের খবর পাবেন 9wickets24-এর হোমপেজে।
এই লেখা শুধু ক্রিকেট পরিসংখ্যান নিয়ে। বাংলাদেশে জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬ অনুযায়ী অনলাইন বেটিং দণ্ডনীয় অপরাধ। এই তথ্য ১৮+ পাঠকের জন্য; বয়স ১৮ পেরোলেই বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বৈধ হয় না।
আরও পড়ুন
সম্পর্কিত গাইড

সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি রান (অক্টোবর ২০২৬)
Most T20I runs active players: বাবর আজম ৪,৫৯৬ রান নিয়ে শীর্ষে, তারপর বাটলার ও স্টার্লিং। শীর্ষ ১৫ সক্রিয় ব্যাটার আর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের তালিকা (লিটন দাস ২,৭০৪)।
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ ওয়ানডে, ২১ অক্টোবর ২০২৬: সময়, মাঠ ও স্কোয়াড
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। খেলা আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫:৩০-এ শুরু (আমিরাতের…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুন
Most ODI Runs Active Players: কোহলি থেকে বাবর, সক্রিয় সেরা ১০ রান-সংগ্রাহক
হালনাগাদ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ · লেখক: 9wickets Team সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রান বিরাট কোহলির: ৩১৭ ম্যাচে ১৫,১০৯। তার পরে রোহিত শর্মা…
সম্পূর্ণ গাইড পড়ুনএই গাইড কাজে লাগানোর সময় এখনই
বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে 9Wickets অ্যাকাউন্ট খুলুন, অথবা সাহায্য লাগলে সরাসরি সাপোর্টে কথা বলুন।